![]() |
||||
E-newsletter: August 2014 | ||||
![]() |
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
তামাক বিরোধীদের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের আলোকে বিধিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন বিষয়ে পুনঃপুন তাগিদ প্রদান অব্যাহত থাকলেও টনক নড়ছে না সংশ্লিষ্টদের। তামাক বিরোধী সংগঠন, গণমাধ্যমকর্মী, রাজনীতিবিদ, সাংসদ এমনকি খোদ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও অনুধাবন করছে যে, আইন মন্ত্রণালয় অযৌক্তিকভাবে এই জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি প্রলম্বিত করছে। এবং এ প্রক্রিয়ায় তামাক কোম্পানিগুলোই মূল ভুমিকা পালন করছে। সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাশের পর গত একবছরের বেশি সময় ধরে তামাকপণ্যের মোড়কে ছবিযুক্ত স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়নের অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্যগত ও অন্যান্য সুফল নিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সভা-সেমিনার, মানববন্ধন ও গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা নির্ভর অন্যান্য বিষয় নিয়েও যথেষ্ট পরিমাণ আলোচনা ও প্রচার-প্রচারণা হয়েছে, কিন্তু কোন ফল পাওয়া যায়নি। উপরন্তু, এসময় ধরে চলেছে ভেটিং-এর নামে খসড়া বিধিমালাকে তামাক কোম্পানির উপযোগী করে প্রস্তুত করার কাজ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে “এক সপ্তাহের মধ্যেই ফেরত পাঠানো হবে” বলে আইন মন্ত্রণালয় দীর্ঘদিন যাবত একই কথা বলে আসছে। তবে এই দীর্ঘসূত্রিতার আসল কারণ যে তামাক কোম্পানি তা এখন আর কারো বুঝতে বাকি নেই। কাজেই তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপমুক্ত বিধিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে আরো শক্তিশালী ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একইসাথে তথাকথিত সিএসআর ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডের আড়ালে তামাক কোম্পানিগুলো রাষ্ট্রযন্ত্রের সাথে মিশে গিয়ে যেভাবে জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি, পরিবেশ ও প্রতিবেশের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে তা বেশি বেশি করে গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে। কারণ, দেশ ও জনস্বাস্থ্য সবার উপরে। |
||||
![]() |