![]() |
||||
E-newsletter: December 2014 | ||||
![]() |
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
তামাকচাষ লাভজনক নয়, ক্ষতিকর লাভের প্রলোভন। এই সত্যটি ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে। তামাকচাষের আগ্রাসন বিরোধী প্রতিবাদের ঢেউ তৃণমূল থেকে ক্রমশ জাতীয় পর্যায়ে আসতে শুরু করেছে। চলতি মৌসুমের শুরুতেই দেশের বিভিন্ন স্থানে তামাকের বিকল্প ফসলচাষে সরকারি সহায়তা লাভের দাবিতে আন্দোলন করেছে বিক্ষুব্ধ কৃষকসমাজ। ঢাকায় একটি সংবাদ সম্মেলনও করেছে তারা। এসবের ধারাবাহিকতায় নীতিনির্ধারণী মহল, তামাকবিরোধী সংগঠন, সুশীল সমাজ, গবেষক, অর্থনীতিবিদ, গণমাধ্যমসহ অন্যান্য অংশীজনের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি নীতি সংলাপ। এতে তামাক চাষ সম্প্রসারণে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ মোকাবেলার বিধান সম্বলিত একটি নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নসহ কয়েক দফা সুপারিশ প্রদান করা হয়েছে। তামাকবিরোধী সংগঠন, গণমাধ্যম ও ভুক্তভোগীদের দাবি আমলে নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এখন তামাক কোম্পানির অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণে কিছুটা তৎপর হচ্ছে। লালমনিরহাটে তামাকচাষিরা সার সংগ্রহের সময় ঢাকা টোব্যাকো’র সিগারেট কিনতে বাধ্য হচ্ছে মর্মে সাম্প্রতিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অভিযোগের সত্যতাসহ ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমাও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, তামাক কোম্পানির মৃত্যবিপণনে সরকারি পৃষ্টপোষকতাও থেমে নেই। সম্প্রতি আইসিএসবি এর পক্ষ থেকে বিএটিবি-কে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়েছে। তামাকবিরোধীদের প্রতিবাদ সত্ত্বেও বিএটিবির অবৈধ প্রতিযোগিতা "ব্যাটল অব মাইন্ড ২০১৪" এর গ্র্যান্ড ফিনালে বন্ধের ব্যাপারে সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। একইভাবে দেশব্যাপি তামাকপণ্যের বিক্রয়কেন্দ্রসহ সর্বত্র চলছে তামাকের অবৈধ প্রচার-প্রচারণা, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের লঙ্ঘন। আসুন, তামাক কোম্পানির মুখোশ উন্মোচনের মাধ্যমে তামাকবিরোধী আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা করি। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবদান রাখি। |
||||
![]() |